বসবাসের জন্য সেরা শহরের তালিকা ২০২৬: শীর্ষে ভিয়েনা
বসবাসের জন্য সেরা শহরের তালিকা ২০২৬: শীর্ষে ভিয়েনা

প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) গ্লোবাল লাইভেবিলিটি ইনডেক্স বা বসবাসের জন্য সেরা শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে। ইআইইউ পাঁচটি মূল সূচকের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবছর ১৭৩টি শহরের তালিকা তৈরি করে থাকে। যে সূচকের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়, সেগুলো হচ্ছে স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো। ২০২৬ সালে বসবাসের জন্য কোন কোন শহর সেরা ১০-এ জায়গা করে নিয়েছে, তা দেখে নেওয়া যাক।

শীর্ষ ১০ শহর

২০২৬ সালের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন। তৃতীয় স্থানে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। চতুর্থ স্থানে কানাডার ক্যালগারি। পঞ্চম স্থানে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা। ষষ্ঠ স্থানে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট। সপ্তম স্থানে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম। অষ্টম স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন। নবম স্থানে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড। দশম স্থানে জার্মানির হামবুর্গ।

পূর্ববর্তী বছরের তুলনা

গত বছরের তালিকার সঙ্গে এ বছরের তালিকার কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। ভিয়েনা গত বছরও শীর্ষে ছিল। তবে কোপেনহেগেন গত বছর দ্বিতীয় স্থানে ছিল, এবারও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। জুরিখ গত বছর তৃতীয় স্থানে ছিল, এবারও তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ক্যালগারি গত বছর চতুর্থ স্থানে ছিল, এবারও চতুর্থ স্থানে রয়েছে। জেনেভা গত বছর পঞ্চম স্থানে ছিল, এবারও পঞ্চম স্থানে রয়েছে। ফ্রাঙ্কফুর্ট গত বছর ষষ্ঠ স্থানে ছিল, এবারও ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। আমস্টারডাম গত বছর সপ্তম স্থানে ছিল, এবারও সপ্তম স্থানে রয়েছে। মেলবোর্ন গত বছর অষ্টম স্থানে ছিল, এবারও অষ্টম স্থানে রয়েছে। অকল্যান্ড গত বছর নবম স্থানে ছিল, এবারও নবম স্থানে রয়েছে। হামবুর্গ গত বছর দশম স্থানে ছিল, এবারও দশম স্থানে রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সূচক সম্পর্কে

ইআইইউ জানিয়েছে, প্রতিটি শহরকে পাঁচটি বিভাগে ১০০ পয়েন্টের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। স্থিতিশীলতা বিভাগে অপরাধের হার, সন্ত্রাসবাদ, সামরিক সংঘাত ইত্যাদি বিবেচনা করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে হাসপাতালের গুণমান, ওষুধের প্রাপ্যতা ইত্যাদি মূল্যায়ন করা হয়। সংস্কৃতি ও পরিবেশ বিভাগে জলবায়ু, দুর্নীতি, খাদ্য ও পানীয় ইত্যাদি দেখা হয়। শিক্ষা বিভাগে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বিবেচনা করা হয়। অবকাঠামো বিভাগে সড়ক, গণপরিবহন, বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহ ইত্যাদি মূল্যায়ন করা হয়।

বিশেষ উল্লেখ

তালিকায় উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে। এশিয়ার শহরগুলোর মধ্যে জাপানের ওসাকা এবং টোকিও শীর্ষ ২০-এ স্থান পেয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি এবং পার্থও শীর্ষ ২০-এ রয়েছে। কানাডার ভ্যাঙ্কুভার এবং টরন্টো শীর্ষ ২০-এ স্থান পেয়েছে। ইউরোপের অন্যান্য শহর যেমন প্যারিস, লন্ডন, বার্লিন শীর্ষ ৫০-এর মধ্যে রয়েছে।