ভারত নামের ছোট দেশ ইসরাইলের বড় ভক্ত: নেতানিয়াহু
ভারত ইসরাইলের বড় ভক্ত: নেতানিয়াহু

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রই ইসরাইলের একমাত্র শক্তিশালী মিত্র নয়। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের কাছ থেকে ‘অভাবনীয়’ সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন।

ভারতের সমর্থন প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু

সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের আরও কিছু বন্ধু রয়েছে, যেমন ভারত নামের ছোট একটি দেশ। সেখানে ১৪০ কোটি মানুষের বসবাস এবং দেশটির সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমরা অবিশ্বাস্য রকমের সমর্থন পাচ্ছি। বিশেষ করে ফেসবুকে ভারতীয়দের কাছ থেকে ইসরাইলের পক্ষে বিপুল সমর্থনের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।’ গাজা, ইরান ও লেবাননে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের কারণে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে নেতানিয়াহু ভারতের অবস্থানকে বড় ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন।

ভ্যান্সের বক্তব্যের জবাব

কয়েক সপ্তাহ আগে হোয়াইট হাউজের এক সংবাদ সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স ইসরাইলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইসরাইলের উচিত হবে না বিশ্বে তাদের অবশিষ্ট একমাত্র শক্তিশালী মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বৈরিতা করা। ইরানের সাথে যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারককে সমর্থন করতে গিয়ে ভ্যান্স এই মন্তব্য করেন। নেতানিয়াহু ভ্যান্সের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেও স্পষ্ট করেন, ‘শ্রদ্ধাবোধ থাকার মানে এই নয় যে ভ্যান্সের সব কথার সাথে আমাকে একমত হতে হবে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

লেবানন ও ইরান প্রসঙ্গ

মার্কিন-ইরান সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের কথা থাকলেও ইসরাইল তা মেনে নেয়নি। নেতানিয়াহু দাবি করেন, দক্ষিণ লেবাননের বেশ কিছু খ্রিস্টান অধ্যুষিত গ্রাম হিজবুল্লাহর হাত থেকে বাঁচতে ইসরাইলের সাথে যুক্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে, যার কারণে তারা সেখানে অবস্থান করছেন। তবে লেবানন পরিস্থিতি যা-ই হোক, কূটনৈতিক ক্ষেত্রে জেডি ভ্যান্সের একচ্ছত্র মার্কিন আধিপত্যের দাবি ভারতের নাম টেনে নাকচ করে দেন তিনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্বব্যাপী সমর্থনের চিত্র

নেতানিয়াহু আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসরাইল-বিরোধী বা ইহুদি-বিরোধী প্রচারণা ফ্যাশনে পরিণত হলেও পর্দার পেছনের চিত্র ভিন্ন। অনেক দেশের শীর্ষ নেতারা ব্যক্তিগতভাবে তাকে ফোন করেন এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই ও ইসরাইলি সেনাবাহিনীর রণকৌশল শিখিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউজের ইতিহাসে ইসরাইলের ‘সবচেয়ে বড় বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেন।

সূত্র: এনডিটিভি।