ইরানে খামেনির শেষ বিদায়: তেহরানে শোকের আবহ, বিশ্বনেতাদের সমাগম
ইরানে খামেনির শেষ বিদায়: তেহরানে শোক, বিশ্বনেতাদের সমাগম

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজধানী তেহরানে শোকের আবহ বিরাজ করছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত শোকানুষ্ঠানে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদতে দেখা যায়।

বিশাল জনসমাগমের প্রত্যাশা

কয়েক দিনব্যাপী এই বিদায় অনুষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি মানুষের উপস্থিতি হতে পারে বলে ধারণা করছে ইরান প্রশাসন। তেহরানের গভর্নর মোহাম্মদ সাদেক মোতামাদিয়ান জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ৬টায় তেহরানের মোসাল্লার ফটক সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে আরও আগে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সমাবেশ

খামেনির মৃত্যুর পর এটিকে ইরানের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক সমাবেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারি প্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেন মোহসেনি এজেই এবং এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আয়াতুল্লাহ সাদেক আমোলি লারিজানি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়া রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান, তাজিকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ইমোমালি রাহমনসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শতাধিক দেশের প্রতিনিধি

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ থেকে সরকারি প্রতিনিধিদল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে সমর্থন দেওয়া ইউরোপের কয়েকটি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।