তেহরানে খামেনির কফিন আজাদি স্কয়ারে নেওয়া হবে আজ
তেহরানে খামেনির কফিন আজাদি স্কয়ারে নেওয়া হবে আজ

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন আজ সোমবার তেহরানের আজাদি স্কয়ারে নেওয়া হবে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজাদি স্কয়ারে সর্বসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য লাখ লাখ মানুষের জমায়েত হবে।

গতকালের জানাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণ

গতকাল রোববার তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়াতুল্লাহ আলীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় লাখো শোকার্ত মানুষ অংশ নেন। পরে তাঁর কফিন গ্র্যান্ড মোসাল্লা থেকে আজাদি স্কয়ারে নেওয়া হবে।

শোকমিছিল ও পরবর্তী কর্মসূচি

দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানে আজ বেশ কয়েক মাইল দীর্ঘ শোকমিছিল হবে। ইমাম হোসেন স্কয়ার থেকে আজাদি স্কয়ার পর্যন্ত এই মিছিলে লাখো মানুষ অংশ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের অন্যতম প্রতীক আজাদি স্কয়ার।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তেহরানের শোকমিছিল শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার আয়াতুল্লাহ আলীর মরদেহ শিয়াদের পবিত্র কোম নগরীতে নেওয়া হবে। বুধবার তাঁর কফিন ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরে নেওয়া হবে, সেখানে শোকযাত্রা ও জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁর মরদেহ জন্মস্থান ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে ফিরিয়ে আনা হবে, যেখানে আগামী বৃহস্পতিবার তাঁকে সমাহিত করা হবে।

রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার বার্তা

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের কাছে এই আনুষ্ঠানিকতা কেবল শোক প্রকাশ নয়, বরং প্রায় চার দশকের নেতৃত্বের পর রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা বজায় থাকার বার্তা। এর মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে যে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলো অক্ষত এবং ক্ষমতা হস্তান্তর নির্বিঘ্নে এগিয়ে চলছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হত্যাকাণ্ড ও দাফনের পটভূমি

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। যুদ্ধের কারণে চার মাসের বেশি সময় পর রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁদের দাফন হচ্ছে। গত শুক্রবার শোকানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় এবং জানাজা উপলক্ষে গতকাল ও আজ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।