যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠক ছিল জাঁকজমক, প্রশংসা আর নানা প্রতিশ্রুতিতে ভরপুর। ১৫ মে, ২০২৬ তারিখে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এই শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক থেকে শেষ পর্যন্ত দুই নেতা আসলে কী অর্জন করলেন, এখন সেটিই বড় প্রশ্ন।
বৈঠকের ইতিবাচক দিক
দুই পক্ষই বেইজিং সফরকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেছে। বৈঠকের সময় পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বৈঠকের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করছে ভবিষ্যতে কতটা বাস্তবায়ন হয় তার ওপর।
অমীমাংসিত বিরোধ
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিরোধগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বাণিজ্য, প্রযুক্তি, দক্ষিণ চীন সাগর, তাইওয়ান ইস্যুতে কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। তবু উভয় নেতা আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়ায় ভবিষ্যতে সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণ হবে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। তবে আপাতত উভয় পক্ষই কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে এই সফরকে তুলে ধরছে।



