গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান ও স্থল হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।
হামলার বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতি
ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি ও স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। খান ইউনিস ও রাফাহ শহরে সবচেয়ে বেশি হামলা চালানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলায় অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
হতাহতের সংখ্যা ও উদ্ধার কার্যক্রম
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনেকের অবস্থা গুরুতর। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তারা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও ইসরায়েলকে সংযম দেখানোর অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলি সরকার জানিয়েছে, তারা হামাসের হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতি
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজায় সহিংসতা বেড়েই চলেছে। ইসরায়েলি বাহিনী হামাসের রকেট হামলার জবাবে অভিযান চালাচ্ছে। এ পর্যন্ত শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মতে, এই সংঘাতে সাধারণ নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।



