দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সাফল্য: বিকল্প রুটে ২৭ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি
দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় সাফল্য: ২৭ কোটি ব্যারেল তেল আমদানি

দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় অর্জন: বিকল্প রুটে বিপুল তেল আমদানি

ইরানের হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মুখে দক্ষিণ কোরিয়া জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে। দেশটি বিকল্প রুটের মাধ্যমে ২৭ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, যা দেশটির অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রেসিডেন্টের চিফ অফ স্টাফের ঘোষণা

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের চিফ অফ স্টাফ কাং হুন-সিক এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি কাজাখস্তান, ওমান, সৌদি আরব এবং কাতার সফর শেষে দেশে ফিরে জাতির উদ্দেশে বলেন, "চারটি দেশ সফরের মাধ্যমে এ বছরের শেষ নাগাদ ২৭ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে।" এই পরিমাণ তেল দক্ষিণ কোরিয়ার তিন মাসেরও বেশি সময়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে সক্ষম বলে তিনি উল্লেখ করেন।

হরমুজ প্রণালির অবরোধ ও ঝুঁকি

গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। চলতি সপ্তাহ থেকে যুক্তরাষ্ট্র এই জলপথে অবরোধ শুরু করায় এশিয়ার দেশগুলো জ্বালানি সরবরাহে চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে। কাং হুন-সিক জানান, গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রায় ৬০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়েছিল, যা এখন অবরোধের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিকল্প রুটের গুরুত্ব

এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার সফলতা জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশটি নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা: কাজাখস্তান, ওমান, সৌদি আরব এবং কাতারের সাথে আলোচনা চালানো।
  • বিকল্প পরিবহন রুট: হরমুজ প্রণালি ছাড়া অন্যান্য পথে তেল আমদানি নিশ্চিত করা।
  • দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি: এ বছরের শেষ নাগাদ বিপুল পরিমাণ তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করা।

এই উদ্যোগ দক্ষিণ কোরিয়াকে জ্বালানি সংকট থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।