মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব বাজারে অস্থিরতা, ইরান থেকে আবার তেল কিনল ভারত
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে ইরান থেকে তেল কিনল ভারত

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, ইরান থেকে আবার তেল কিনল ভারত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে কয়েক বছরের মধ্যে আবারও ইরান থেকে তেল কিনেছে ভারত। শনিবার (৪ এপ্রিল) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহে বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণ

ভারতের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির রিফাইনারিগুলো ইরানসহ বিভিন্ন উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেল সংগ্রহ করেছে এবং ইরানি তেল আমদানিতে কোনো ধরনের অর্থ পরিশোধজনিত জটিলতা নেই। আগামী কয়েক মাসের জন্য প্রয়োজনীয় তেলের পূর্ণ চাহিদা ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করেছে বলে দাবি করে মন্ত্রণালয়। দেশটি ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে তেল আমদানি করে এবং বাণিজ্যিক বিবেচনায় বিভিন্ন উৎস থেকে তেল সংগ্রহের স্বাধীনতা রয়েছে।

ইতিহাস ও সাম্প্রতিক উন্নয়ন

এর আগে, ২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ইরান থেকে আর তেল নেয়নি ভারত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে। ইরানি জ্বালানি কেনার বিষয়ে ভারতের এই স্বীকৃতি এমন এক সময়ে এলো, যখন গত মাসে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে সমুদ্রে ভাসমান ১৪ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বিক্রির জন্য একটি অস্থায়ী অনুমোদন দিয়েছে। মূলত বিশ্ববাজারে জ্বালানির চাপ কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এলপিজি আমদানি ও বন্দর কার্যক্রম

এছাড়াও ইরান থেকে ৪৪ হাজার মেট্রিক টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি করেছে ভারত। গত বুধবার নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা একটি জাহাজে করে আনা এই গ্যাস ভারতের মাঙ্গালুরু বন্দরে ভিড়েছে এবং বর্তমানে তা খালাস করা হচ্ছে। এই আমদানি বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ভারতের কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও সরবরাহ চেইনে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার প্রেক্ষাপটে।