থাইল্যান্ডে ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ
থাইল্যান্ডে ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ

থাইল্যান্ডে ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশে নজরদারি বাড়ানো এবং সংখ্যার চেয়ে মানসম্পন্ন পর্যটকদের অগ্রাধিকার দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সরকারের বক্তব্য

সোমবার (১১ মে) সরকারের মুখপাত্র রাচাদা ধনাদিরেক জানান, প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে বলেছেন, বর্তমানে চালু থাকা ভিসা বিধিমালায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। এ পর্যালোচনার আওতায় শিক্ষার্থী, বিনিয়োগকারী ও পর্যটকসহ সব ধরনের ভিসা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে উপপ্রধানমন্ত্রী পাকর্ন নিলপ্রাপুন্তকে পুরো প্রক্রিয়ার তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকার মনে করছে, বিদেশিদের জন্য অতিরিক্ত সহজ প্রবেশব্যবস্থার কারণে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে, যা এখন নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে। থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রী সুরাসাক ফানচারোয়নওয়ারাকুল বলেন, বর্তমান নীতিতে ভ্রমণ সহজ হলেও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন কমিটি গঠন

এ প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার মন্ত্রিসভা সব ধরনের ভিসার মানদণ্ড পুনর্নির্ধারণে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের অনুমোদন দিতে পারে। কমিটিকে কঠোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চালুর সুপারিশ করতে বলা হবে, তবে একই সঙ্গে থাইল্যান্ডের আন্তর্জাতিক আকর্ষণও বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে।

ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা বাতিল

মন্ত্রী সুরাসাক আরও জানান, বর্তমানে চালু থাকা ৬০ দিনের ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা বাতিল করা হতে পারে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মন্ত্রিসভায় একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করবে। নতুন ব্যবস্থায় আবেদনকারীদের আরও কঠোর যাচাইয়ের মুখোমুখি হতে হবে এবং কেবল আর্থিক সক্ষমতা দেখালেই ভিসা পাওয়া নিশ্চিত হবে না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, 'সরকার পর্যটকের সংখ্যা নয়, বরং তাদের মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দেবে।' তার মতে, শুধু আগমনের সংখ্যা বাড়লেই অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল আসে না।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

এর আগে সোমবার প্রধানমন্ত্রী আনুতিন বলেন, ভিসামুক্ত প্রবেশব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আগে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করা হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পর্যটনের সুবিধার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব পাবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: ব্যাংকক পোস্ট