যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ১১ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২০৬ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২২৮ ডলারে নেমে আসে।
উত্তেজনার প্রভাব
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে তেলের দাম বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার আরও বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণবাজারে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান হরমুজ প্রণালির কাছে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। পরে ইরানও পাল্টা হামলার দাবি করে। এদিকে তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে।
সুদের হার ও স্বর্ণের চাহিদা
বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে পারে। সাধারণত সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের চাহিদা কমে যায়। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। রূপার দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ, প্লাটিনামের দাম ৩ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ শতাংশ কমেছে।
ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
বিশ্লেষকদের মতে, স্বর্ণের দাম আরও কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১০০ ডলারের নিচে নামলে বছরের শেষ নাগাদ তা ৩ হাজার ৫০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। সূত্র: রয়টার্স



