যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার (৩ জুন) মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শুনানিতে জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। শুনানিতে আইনপ্রণেতারা চলমান সংঘাত ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন।
অভিযানের সমাপ্তি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
রুবিও স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করার জন্য এর অভ্যন্তরে আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছি না, কারণ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এখন সমাপ্ত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নিলে তা আর চলমান আক্রমণাত্মক অভিযানের অংশ হবে না, বরং কেবল আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হবে।’
অভিযানের সাফল্য
রুবিও দাবি করেন, ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান তার নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, এই অভিযানে মার্কিন বাহিনী সফলভাবে ইরানের প্রতিরক্ষা-শিল্প ঘাঁটির একটি বড় অংশ ধ্বংস করেছে এবং একই সঙ্গে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও ড্রোনের মজুত উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে এনেছে।
আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব
এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পাশাপাশি অঞ্চলে মার্কিন সেনা মোতায়েন এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা আঞ্চলিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।



