বিশ্বের ৯৩টি দেশের নাগরিকদের জন্য থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর পর ভিসা দেওয়ার সুবিধা ছিল দীর্ঘদিনের। এই অন-অ্যারাইভাল ভিসার আওতায় পর্যটকদের আগে থেকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হতো না। তবে সম্প্রতি থাই সরকার এই ভিসার মেয়াদ কাটছাঁট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ভিসার মেয়াদ কমানোর কারণ
থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক ফুয়াংকেতকায়েও এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুযোগ নিয়ে অনেক বিদেশি পর্যটক থাইল্যান্ডে এসে এর অপব্যবহার করছেন। এই অপব্যবহার রোধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধু অন-অ্যারাইভাল ভিসাই নয়, অন্যান্য ভিসাও আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হবে। সরকার নিশ্চিত করতে চায় যে, ভিসা নিয়ে কেউ যে উদ্দেশ্যে দেশে প্রবেশ করছেন, বাস্তবে সেই উদ্দেশ্যই পূরণ করছেন।
পর্যটক আগমনে প্রভাব
ছুটি কাটানোর জন্য বিশ্বের পর্যটকদের কাছে থাইল্যান্ড অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। সারা বছরই দেশটিতে বিদেশি পর্যটকদের ভিড় থাকে। তবে সাম্প্রতিক কিছু কড়াকড়ির কারণে দেশটিতে পর্যটক আগমন কিছুটা কমেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ মে পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ বিদেশি পর্যটক গেছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ কম।
থাইল্যান্ডের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব পর্যটকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে মনে করছেন, ভিসার মেয়াদ কমানোর ফলে পর্যটক সংখ্যা আরও কমতে পারে। তবে সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং ভিসার অপব্যবহার বন্ধ করবে।



