ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সেনাবাহিনীর জন্য ৩০০ কোটি ডলারের ড্রোন কেনার অনুমোদন দিয়েছে। এই ড্রোনগুলো আধুনিক নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে সক্ষম হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ড্রোন কেনার উদ্দেশ্য
এই ড্রোন কেনার মূল উদ্দেশ্য হলো সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা। ড্রোনগুলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত হবে, যা দীর্ঘ সময় ধরে আকাশে টিকে থাকতে পারবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ড্রোনগুলো সেনাবাহিনীর অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াবে।
অর্থ বরাদ্দ ও সময়সীমা
এই প্রকল্পের জন্য ৩০০ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। ড্রোনগুলো কেনার প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে সরবরাহ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, "এই ড্রোনগুলো ভারতের সেনাবাহিনীর জন্য একটি বড় অর্জন হবে।"
ভারতের সামরিক সক্ষমতা
ভারত বর্তমানে তার সামরিক বাহিনীকে আধুনিকীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই ড্রোন কেনা তারই একটি অংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ড্রোনগুলো ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে এই ড্রোনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



