চীনের মধ্যাঞ্চলে একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। উদ্ধার ও তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে।
সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে বিস্ফোরণের পর এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
সোমবার হুনান প্রদেশের রাজধানী চাংশায় অবস্থিত একটি আতশবাজি কারখানায় এই বিস্ফোরণ ঘটে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে এবং আশপাশের এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি উৎপাদন সতর্কতামূলকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এর আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই ঘটনায় ৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম চায়না ডেইলি জানিয়েছে, কারখানাটি চাংশার অধীনস্থ একটি কাউন্টি-স্তরের শহর লিউয়াংয়ে অবস্থিত হুয়াশেং ফায়ারওয়ার্কস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড ডিসপ্লে কোং লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত হয়। লিউয়াং চীনের অন্যতম প্রধান আতশবাজি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
লিউয়াংয়ে আতশবাজি তৈরির শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে, প্রাচীনতম নথিভুক্ত আতশবাজির সাথে লি তিয়ানের সম্পর্ক রয়েছে, যিনি একজন সন্ন্যাসী বলে মনে করা হয় এবং যিনি ৬১৮ থেকে ৯০৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তাং রাজবংশের সময় লিউয়াংয়ের কাছে বসবাস করতেন।
চীনে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একই ধরনের প্রাণঘাতী ঘটনা ঘটেছে। ফেব্রুয়ারিতে, চন্দ্র নববর্ষের সময় আতশবাজির দোকানে পৃথক বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছিলেন।



