হোক্কাইডোতে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নেই
হোক্কাইডোতে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নেই

জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইডোতে আবারও ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে এই ভূমিকম্পটি ঘটে বলে জানিয়েছে জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর (জেএমএ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।

ভূমিকম্পের বিবরণ

জেএমএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল হোক্কাইডো দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাপ্পোরো থেকে ২০০ কিলোমিটার পূর্বে, ভূপৃষ্ঠের ৮৩ কিলোমিটার গভীরে। সংস্থাটি আরও জানায়, এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত, আহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি এবং সুনামির কোনো আশঙ্কাও নেই। তবে শক্তিশালী ঝাঁকুনির কারণে হোক্কাইডোর পাহাড়গুলো থেকে বড় পাথরের পতন ও ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

পূর্ববর্তী ভূমিকম্প

৬ দশমিক ২ মাত্রার এই ভূমিকম্পের এক ঘণ্টা আগে হোক্কাইডোর দক্ষিণাঞ্চলে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই ভূমিকম্পেও সুনামির কোনো আশঙ্কা ছিল না। তবে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সামনের সপ্তাহে আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রসঙ্গত, গত সোমবার হোক্কাইডোর আইওয়াত জেলায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। তার এপিসেন্টার থেকে শত শত মাইল দূরে রাজধানী টোকিওতেও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছিল। সেই ভূমিকম্পে ৬ জন আহত হয়েছিলেন।

জাপানে ভূমিকম্পের প্রেক্ষাপট

ভৌগোলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের 'আগ্নেয় মেখলা' অঞ্চলের ওপর অবস্থানের কারণে জাপানে ভূমিকম্প একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ১২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত এই দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে ১ হাজার ৫০০টি ভূমিকম্প হয়। শতকরা হিসেবে বলা যায়, প্রতিবছর বিশ্বে যত ভূমিকম্প হয়, তার ১৮ শতাংশই ঘটে জাপানে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ