ফরিদপুরে দাদি-ফুফুসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ যুবকের বিরুদ্ধে
ফরিদপুরে দাদি-ফুফুসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে এক যুবকের বিরুদ্ধে নিজের দাদি, ফুফু ও এক প্রতিবেশীকে কোদাল দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হত্যাকাণ্ডের বিবরণ

হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আকাশ মোল্লা (৪০) গদাধরডাঙ্গী গ্রামের হারুন মোল্লার ছেলে। নিহতরা হলেন তাঁর দাদি আমেনা বেগম (৭৫), ফুফু সালেহা বেগম (৫৫) ও প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরী (৪৯)। কাবুল চৌধুরী পেশায় রিকশাচালক, তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। এ ঘটনায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৮) ও আরজিনা বেগম (৩৮) নামের দুজন আহত হয়েছেন। এলাকাবাসী তাঁদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

পুলিশের বক্তব্য

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। অভিযুক্ত আকাশ পলাতক রয়েছেন। তাঁকে আটক করতে একাধিক টিম কাজ করছে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা

আলিয়াবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. রাজ্জাক শেখ জানান, আকাশ রাত ১০টার দিকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাঁর দাদি ও ফুফুকে হত্যা করে। এ সময় মারধর ঠেকাতে এলে প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। বাঁচাতে এসে আরও দুই প্রতিবেশী আহত হন।

অভিযুক্তর মানসিক অবস্থা

ইউপি সদস্য রাজ্জাক শেখ আরও বলেন, 'আকাশ মানসিকভাবে অস্থির প্রকৃতির ছেলে ছিলেন। তিনি একসময় ফরিদপুর যক্ষ্মা হাসপাতালে পিয়ন পদে কর্মরত ছিলেন। যখন তাঁর মাথা নষ্ট হতো, তখন অফিসেও যেতেন না। আবার ভালো থাকলে সুস্থ–স্বাভাবিক মানুষের মতোই আচরণ করতেন।'

মরদেহ উদ্ধার ও তদন্ত

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ