জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালককে কুপিয়ে জখমের মামলায় তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালক হামলা মামলায় তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের উপপরিচালক হামলা মামলায় তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

রাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপপরিচালক ড. আহমদ হোসেনকে কুপিয়ে জখম করার মামলায় তিন জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। একইসঙ্গে দুইজন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি দুইজনের জন্য জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার নির্ধারিত হয়েছে।

আদালতে হাজির ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

বুধবার (২২ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই এস এম আবু রায়হান পাঁচজন আসামিকে আদালতে হাজির করেন। শামস আল আসাদুজ্জামান শিকদার ওরফে রানা, সালাউদ্দিন এবং শরিফুল আলম করিমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। একইসঙ্গে আমিনুল ইসলাম কাল্লু ও বদিউল আলম সাজ্জাদকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে শামস আল আসাদুজ্জামান, আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে সালাউদ্দিন এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে শরীফুল আলম করিমের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জামিন শুনানি ও কারাগারে প্রেরণ

এসআই মোক্তার হোসেন আরও জানান, আমিনুল ইসলাম কাল্লু ও বদিউল আলম সাজ্জাদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আগামিকাল শুনানি করবেন বলে জানানো হয়েছে। আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার পটভূমি ও পূর্ববর্তী গ্রেফতার

প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুরে অফিস শেষে বাসায় ফেরার পথে দুই যুবক পেছন থেকে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপপরিচালক ড. আহমদ হোসেনকে সন্ত্রাসী হামলায় কুপিয়ে জখম করে। এ ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মঙ্গলবার বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পরই ইউসুফ আলী ও নেছার আহমেদকে গ্রেফতারের পর কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর এই পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনাটি স্বাস্থ্য খাতের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দ্রুত তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।