প্রায় তিন বছর বন্ধ থাকার পর গাজার একমাত্র কৃত্রিম চোখের ক্লিনিক আবার চালু হয়েছে। ক্লিনিকটি পুনরায় চালু হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য নিবন্ধন করেছেন শত শত মানুষ। তবে প্রয়োজনীয় কৃত্রিম চোখের সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
সরঞ্জাম সংকট ও রোগীর সংখ্যা
আল জাজিরার প্রতিবেদক ইব্রাহিম আল-খালিলি জানান, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় মাত্র ১৪০টি কৃত্রিম চোখ প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অথচ ক্লিনিকটি পুনরায় চালু হওয়ার প্রথম দুই সপ্তাহেই চিকিৎসার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৮৫০ জনের বেশি রোগী। এই সংখ্যা সরঞ্জামের তুলনায় অনেক বেশি, যা চিকিৎসা কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে।
বিশেষজ্ঞের মতামত
কৃত্রিম চোখ বিশেষজ্ঞ সাবরি হাজাজ বলেন, যেসব কৃত্রিম চোখ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর কিছু রোগীদের প্রয়োজনীয় আকারের সঙ্গে মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে রঙও উপযুক্ত নয়। তিনি আরও জানান, কিছু রোগীর ক্ষেত্রে চোখের গহ্বরের অবস্থান সামান্য ভিন্ন হওয়ায় কৃত্রিম চোখ ঠিকভাবে বসানো সম্ভব হচ্ছে না। আবার অস্ত্রোপচারের পর জটিলতার কারণে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কৃত্রিম চোখ লাগানোই সম্ভব হচ্ছে না।
গাজার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি
গাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘাত ও অবরোধের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃত্রিম চোখের ক্লিনিকটি পুনরায় চালু হওয়ায় অনেক রোগী স্বস্তি পেলেও সরঞ্জাম সংকট তাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ছাড়া রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়, তাই দ্রুত সরঞ্জাম সরবরাহের ব্যবস্থা করা জরুরি।



