দীর্ঘ আইনি জটিলতা শেষে ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলল
আইনি জটিলতা শেষে ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলল

দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা শেষে দেশের প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর কোনও আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আপিল বিভাগের রায়

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া

রায় ঘোষণার পর অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে যে আইনি জটিলতা ছিল, তা দূর হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ রায় দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার পটভূমি

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা চাকরির ৫০ শতাংশ সময় গণনা করে গ্রেডেশন তালিকা প্রণয়ন, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ, প্রধান শিক্ষক হিসাবে বেতন স্কেল এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

হাইকোর্টের রায় ও আপিল

ওই রিটের পর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। পরে শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ রুল আংশিক মঞ্জুর করেন আদালত। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ