প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা দিতে পারবে পঞ্চম শ্রেণির ৪০% শিক্ষার্থী
প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা দিতে পারবে ৪০% শিক্ষার্থী

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে পঞ্চম শ্রেণির মোট শিক্ষার্থীর শতকরা সর্বোচ্চ ৪০ ভাগ। আজ বুধবার এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।

বৃত্তি সংখ্যা ও বণ্টন

এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ পাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাকি ২০ শতাংশ পাবে বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেনের প্রার্থীরা। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই ভাগে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়।

পরীক্ষার সময়সূচি

সারা দেশে একযোগে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের অন্য সব জেলায় গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত এই পরীক্ষা চলে। আর পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফল প্রকাশ ও সংগ্রহের মাধ্যম

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ৯ জুলাই। ফল প্রকাশের পর অভিভাবকেরা অনলাইন ও মোবাইল এসএমএসের (SMS) মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে রেজাল্ট দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ (IPEMIS) পোর্টাল।

আর্থিক সুবিধার বিবরণ

ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থীকে মাসিক ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। অন্যদিকে সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে মাসিক ২২৫ থেকে ২৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পরবর্তী তিন বছর এই আর্থিক সুবিধা পাবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ভবিষ্যতে বৃত্তির এই অর্থ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি প্রস্তাবনা বর্তমানে সরকারের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ