জাতীয় এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩৫ মিনিট: সড়কমন্ত্রী
এয়ারপোর্ট-গাজীপুর ৩৫ মিনিটে যাতায়াত: সড়কমন্ত্রী

জাতীয় এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩৫ মিনিট: সড়কমন্ত্রী

ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা সমাধানে সরকারের বড় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন এগিয়ে চলছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, এসব প্রকল্প চালু হলে রাজধানীর জাতীয় এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর পর্যন্ত যাতায়াতের সময় কমে দাঁড়াবে মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ মিনিটে। এই তথ্য তিনি বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদে তুলে ধরেন।

সংসদে মন্ত্রীর বক্তব্য

ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের একটি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম যানজট নিরসনের পদক্ষেপগুলো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকা-১৮ এলাকার যানজট কমানোর জন্য ইতোমধ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত

যানজট হ্রাসের জন্য নেওয়া পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • বনানী ওভারপাস থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা।
  • বলাকা ভবন ও তৃতীয় টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় সড়ক প্রশস্তকরণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ।
  • ঢাকা মেট্রোরেলের অংশ হিসেবে এমআরটি লাইন-১ এর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে, যা এয়ারপোর্ট থেকে কুড়িল পর্যন্ত চালু হলে উত্তরাঞ্চলের যানজট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

এছাড়াও, এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর পর্যন্ত ২০.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত হচ্ছে। এই সড়ককে ৮-লেনে উন্নীত করার পাশাপাশি ৮টি ফ্লাইওভার ও প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার উড়াল সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি পুরোপুরি চালু হলে এই রুটে যাতায়াতের সময় মাত্র ৩৫-৪০ মিনিটে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যাত্রীসেবার উন্নয়ন

যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) ৩৪০টি সিএনজিচালিত একতলা এসি বাস আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এসব বাস চালু হলে উত্তরা, এয়ারপোর্ট ও খিলক্ষেত রুটে আধুনিক গণপরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, যা নাগরিকদের জন্য আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করবে।

সরকারের প্রত্যাশা

সরকারের দৃঢ় বিশ্বাস, এই সমস্ত প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে শুধুমাত্র ঢাকা-১৮ এলাকা নয়, বরং সমগ্র উত্তর ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থা দ্রুত, আরামদায়ক ও যানজটমুক্ত হয়ে উঠবে। এর ফলে নাগরিকদের দৈনন্দিন ভোগান্তি হ্রাস পাবে এবং শহুরে জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের এই ঘোষণা ঢাকার যানজট সমস্যা সমাধানে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।