পাঁচ সিটি করপোরেশনে বিএনপি নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ
পাঁচ সিটি করপোরেশনে বিএনপি নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ

পাঁচ সিটি করপোরেশনে বিএনপি নেতাদের প্রশাসক পদে নিয়োগ

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আদেশে বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, রংপুর ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে পাঁচ বিএনপি নেতাকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত এই প্রশাসকেরা শনিবার দুপুরে সংসদ ভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও দায়িত্ব গ্রহণ

আজ শনিবার দুপুরে সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে নতুন প্রশাসকেরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। এই সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকেরা আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকদের তালিকা

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ সিটি করপোরেশনে যাদের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন:

  • বরিশাল সিটি করপোরেশন: বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন
  • রাজশাহী সিটি করপোরেশন: মাহফুজুর রহমান
  • ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন: রুকুনোজ্জামান রোকন
  • রংপুর সিটি করপোরেশন: মাহফুজ উন নবী চৌধুরী
  • কুমিল্লা সিটি করপোরেশন: মো. ইউসুফ মোল্লা

প্রশাসকদের রাজনৈতিক পরিচয়

নিয়োগপ্রাপ্ত এই পাঁচজনই বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের সক্রিয় নেতা। বিলকিস আক্তার জাহান বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাহফুজুর রহমান রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদে আছেন। রুকুনোজ্জামান রোকন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব, মাহফুজ উন নবী চৌধুরী রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব এবং মো. ইউসুফ মোল্লা কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত।

দায়িত্বের মেয়াদ ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, এই রাজনৈতিক প্রশাসকেরা সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর তারা নির্বাচিত মেয়রের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। এই পদক্ষেপ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের মাধ্যমে নতুন প্রশাসকেরা সরকারের নির্দেশনামূলক দিকনির্দেশনা পেয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।