পুলিশের ওপর হামলা করে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হত্যা ও মাদকসহ একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম মিয়াকে গ্রেফতারের পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অভিযানের বিবরণ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করা। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা শামীম মিয়া ওই এলাকায় অবস্থান করছেন।

পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তবে গ্রেফতারের কিছুক্ষণের মধ্যেই তার অনুসারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের ঘিরে ফেলে এবং একপর্যায়ে শামীমকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় হামলায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরবর্তী ব্যবস্থা

ঘটনার পরপরই অতিরিক্ত পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় ব্যাপক জটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শামীম মিয়ার স্ত্রী সাথী আক্তারসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আসামি সম্পর্কে তথ্য

শামীম মিয়া চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকার আব্দুল খালেদের ছেলে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চনপাড়ায় অভিযান চালানো হয়েছিল। শামীম মিয়াকে গ্রেফতারের পর তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয় এবং পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং শামীম মিয়াকে পুনরায় গ্রেফতারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে।