নোয়াখালী কলেজে হামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতাদের ক্ষমা
নোয়াখালী কলেজ হামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতাদের ক্ষমা

নোয়াখালী সরকারি কলেজে হামলা ও শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতাদের ক্ষমা করে দিলেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ছানা উল্লাহ। শনিবার (৩ মে) বিকালে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহানের মধ্যস্থতায় অধ্যক্ষের কক্ষে উভয়পক্ষের মধ্যে এই সমঝোতা হয়।

ঘটনার বিবরণ

এর আগে গত বুধবার দুপুরে শিক্ষকরা মধ্যাহ্নভোজে থাকার সময় ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী কলেজে হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে এক শিক্ষক আহত হন এবং অন্যদের হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর শিক্ষকরা জরুরি সভা ডেকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারসহ ৮ দফা দাবি পেশ করেন।

ছাত্রদলের সাংগঠনিক ব্যবস্থা

এর পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কলেজ শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মুর্শিদুর রহমান রায়হান, সহসভাপতি আক্তারুজ্জামান বিশাল এবং সহসাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন শাওনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয় এবং সাবেক সভাপতি আকবর হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সমঝোতা ও ক্ষমা

হামলার দুই দিন পর শনিবার সংসদ সদস্য শাহজাহান সরাসরি কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ছাত্রদের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেন। অধ্যক্ষ অধ্যাপক ছানা উল্লাহ বলেন, এমপি স্যার এসেছেন। ছাত্ররা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে। তারা তো আমার ছাত্রই, আমি কিছু মনে রাখিনি। সংসদ সদস্য শাহজাহান বলেন, ছাত্ররা যে কাজটি করেছিল তা মোটেও কাম্য নয়। আমি বলবো, ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে কোনও রাজনীতি থাকা উচিত নয়। যারা ছাত্র তারা কেবলই ছাত্র, আর শিক্ষকরা সবার পরম শ্রদ্ধেয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ