পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের এসি কোচের কনডেন্সার কয়েল চুরি, ট্রেন চলছে একটি কোচ কম নিয়ে
পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের এসি কোচে কনডেন্সার কয়েল চুরি

পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের এসি কোচে কনডেন্সার কয়েল চুরি: ট্রেন চলছে একটি কোচ কম নিয়ে

ঢাকা থেকে পঞ্চগড় যাওয়া একটি ট্রেনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচের কনডেন্সার কয়েল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর ওই কোচের এসি ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে বিকল হয়ে যায়। পরে কোচটি রেখেই বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে পঞ্চগড় ছেড়ে যায় ‘পঞ্চগড় এক্সপ্রেস’ নামের ওই ট্রেনটি।

চুরির ঘটনা ও কোচের অবস্থা

দুপুরে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, কনডেন্সার কয়েল চুরি হওয়ায় এসি বিকল কোচটিকে নির্দিষ্ট রেক থেকে আলাদা একটি রেকে রাখা হয়েছে। কোচটি মেরামত না হওয়া পর্যন্ত ১৩টি কোচের পরিবর্তে ১২টি কোচ নিয়ে ট্রেনটি ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলাচল করবে বলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ‘দ্রুতযান এক্সপ্রেস’ নামের ট্রেনটি আজ সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশ করে। এর মধ্যে পথে ট্রেনের এসি কোচের ছাদের ওপর থেকে কনডেন্সার কয়েল চুরি হয়। রেলওয়ে বিভাগের কর্মীরা জানিয়েছেন, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে এবং বেশির ভাগ সময় ঢাকা থেকে আসার পথে এসব চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়।

যাত্রীদের জন্য ব্যবস্থা

রেখে যাওয়া কোচটিতে ৭৮টি আসন আছে। পঞ্চগড় থেকে এই কোচের আসন বরাদ্দ না থাকলেও ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর থেকে আসন বরাদ্দ ছিল। ওই যাত্রীদের গতকাল বুধবার রাতে এ বিষয়ে জানানোর পাশাপাশি টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

পঞ্চগড় রেলস্টেশনের মাস্টার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সকালে ট্রেনটি পঞ্চগড় স্টেশনে এলে বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে জানানো হয়, একটি কোচের কনডেন্সার কয়েল পাওয়া যাচ্ছে না। পরে ওই কোচটি বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে কোচের টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখা হয়। আগেই যেসব যাত্রী ওই কোচে টিকিট কিনেছেন, তাঁরা সমপরিমাণ টাকা ফেরত পেয়েছেন।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চলন্ত ট্রেনে উঠে কিছু চোর কনডেন্সার কয়েল চুরি করছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।