রাকসু জিএসের বিরুদ্ধে হল সংসদ নেতাকে লাঞ্ছনার অভিযোগ
রাকসু জিএসের বিরুদ্ধে লাঞ্ছনার অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচের প্রদর্শনী চলার সময় হল সংসদের এক নেতাকে লাঞ্ছিত ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন লতিফ হল সংসদের জিএস নূরুল ইসলাম। তবে অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত আম্মার।

ঘটনার বিবরণ

বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ফেসবুক গ্রুপ ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’–এ দেওয়া একটি পোস্টে নূরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচ উপলক্ষে তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শহীদ হবিবুর রহমান হলের মাঠে খেলা দেখতে যান। খেলার প্রথমার্ধে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান ও হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাঁকে পাশে ডাকেন। পরে তিনি এলইডি স্ক্রিনের সামনে সুতা দিয়ে ঘেরা নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ভিপির পাশে বসেন।

লতিফ হলের জিএসের অভিযোগ

লতিফ হলের জিএসের অভিযোগ, সেখানে বসার মাত্র এক মিনিটের মাথায় রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সেখানে আসেন। এ সময় ভিপি মোস্তাকুর একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য স্থান ত্যাগ করেন। ভিপি সরে যাওয়ার পরপরই নূরুল ইসলামকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন আম্মার। কারণ জানতে চাইলে নূরুলের গেঞ্জির কলার ধরে টানতে টানতে আম্মার বলেন, সেখানে কেউ থাকতে পারবেন না এবং নূরুলকে দেখে অন্যরাও নির্ধারিত স্থানে আসতে চাইবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযুক্তের বক্তব্য

তবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সালাউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমি তাঁর গায়ে স্পর্শও করিনি, টি-শার্টেও হাত দেইনি। উল্টো তিনি আমার সঙ্গে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, আমি তার জবাবও দেইনি। অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থেই তাঁকে কেবল স্থান পরিবর্তনের অনুরোধ করা হয়েছিল।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মাঠের শৃঙ্খলা ও ছাত্রীদের খেলা দেখার সুবিধার কথা উল্লেখ করে আম্মার বলেন, ‘মাঠের এক পাশে ছাত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নূরুল যেখানে এসে বসেছিলেন, এতে পেছনে থাকা শিক্ষার্থীদের খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই তাঁকে ডান পাশে গিয়ে বসার অনুরোধ করা হলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তিনি চলে যান।’

ভিপির মন্তব্য

রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, দড়ির ভেতরে বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনাটি ঘটেছে। খেলা চলার সময় তাঁদের তর্ক-বিতর্কের কারণে মাঠের শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি থামিয়ে দেন।