প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পেলেন সুবিধাভোগীরা, বঞ্চিত হবেন না আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি স্কুল মাঠে তিনি হতদরিদ্র নারীদের মাঝে সরাসরি কার্ড বিতরণ শুরু করেন। দায়িত্বগ্রহণের মাত্র ২০ দিনের মাথায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সরকারের দ্রুত কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

সুবিধাভোগীদের হাতে কার্ড তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন সুবিধাভোগীর হাতে সরাসরি ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। এ সময় ফাতেমা নামে এক বস্তিবাসী নারী প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তার মোবাইলে এখনও কোনো মেসেজ আসেনি। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন যে তিনি কীভাবে এই সুবিধা পাবেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওই নারীকে আশ্বস্ত করে বলেন, “চিন্তা করবেন না, পর্যায়ক্রমে সবাই পাবেন। কেউ বঞ্চিত হবেন না।” তার এই মন্তব্য উপস্থিত জনতার মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে এবং সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতি আস্থা বাড়ায়।

৩৭ হাজার সুবিধাভোগীকে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে সরকার

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার দেশের ১৪টি এলাকার মোট ৩৭ হাজার সুবিধাভোগীর কাছে এই সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। এর মধ্যে রাজধানীর কড়াইল বস্তিসহ বিভিন্ন অঞ্চলের হতদরিদ্র পরিবারগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই উদ্যোগটি সামাজিক সুরক্ষা নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করতে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্প্রসারিত হবে এবং কোনো বৈষম্য ছাড়াই সবাইকে এর আওতায় আনা হবে। তিনি সরকারের অন্যান্য কল্যাণমূলক প্রকল্পের সাথেও এই কার্ডের সমন্বয় করার পরিকল্পনার কথা জানান, যা দারিদ্র্য বিমোচনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এই কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুধুমাত্র আর্থিক সহায়তা নয়, বরং একটি সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে সরকারের জনকল্যাণমূলক নীতির বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।