প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১০ উপদেষ্টা নিয়োগ, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় মোট ১০ জন ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এই নিয়োগের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে উপদেষ্টা প্যানেল গঠিত হলো, যা প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত উপদেষ্টাগণ
মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে পাঁচ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের তালিকায় রয়েছেন:
- মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ
- নজরুল ইসলাম খান
- রুহুল কবির রিজভী আহমেদ
- মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ
- অ. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
এই ব্যক্তিবর্গ সরকারের বিভিন্ন নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নে সরাসরি অংশগ্রহণ করবেন এবং মন্ত্রীর সমমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত উপদেষ্টাগণ
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় আরও পাঁচ জন উপদেষ্টা নিয়োগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন:
- হামায়ুন কবির
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) শামসুল ইসলাম
- ডা. জাহেদুর রহমান
- ড. মাহাদি আমিন
- রেহান আসিফ আসাম
এই উপদেষ্টাগণ প্রতিমন্ত্রীর সমপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিশেষায়িত ক্ষেত্রে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করবেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান
এই নিয়োগের আগে একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হয়, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এরপর বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ বাক্য পড়ান। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের দায়িত্বগ্রহণ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করেছেন।
উপদেষ্টা নিয়োগ ও শপথগ্রহণ—এই দুই ঘটনা একই দিনে সংঘটিত হওয়ায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকারের নতুন গঠন ও নীতিনির্ধারণে এই উপদেষ্টাগণের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
