অনলাইন ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের দ্রুত বিস্তৃতির প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতার পেশাগত মান ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা ও আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
ডিজিটাল মিডিয়ায় নীতিমালার অভাব
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা তো এখন একটা ডিজিটাল মিডিয়ার মধ্যে ঢুকে পড়েছি। খুব সহজে মিডিয়া অনেকে চালু করছেন, অনলাইন বেসড। সেখানে কখনো কখনো তারা এই সমস্যা ফেস করেন। এটা আপনারাও (সাংবাদিকরা) নিশ্চয় স্বীকার করবেন, নীতিমালার একটা অভাব আছে।’
সাংবাদিকদের প্রত্যাশা
তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের একটা এক্সপেক্টেশন হলো, সাংবাদিক হওয়ার জন্য কী কী একটা নীতিমালা থাকা দরকার এবং সাংবাদিকদের একটা কোড অব কন্ডাক্ট থাকা দরকার, যেটা তারা ফলো করবেন। সেই ক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব পালনে সুবিধা হবে।’
দ্রুত নীতিমালা প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘একটা নীতিমালা এবং রেগুলেশনের কথা আমরা আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও ভাবছি এবং এটা আমরা দ্রুতই করব। এটা একটা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার এবং ভবিষ্যতেও সে আবার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্বে থাকতে চায়। তথ্য গোপন করার যে প্রবণতা আপনারা আগে দেখেছেন, যুক্তি বলে যে- সরকার এটা করতে যাবে না।’
তথ্য কমিশন পুনর্গঠন
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একটা তথ্য কমিশন আছে। আমরা এটা এখনো নতুন করে গঠন করিনি, খুব দ্রুত করব। তথ্য কমিশনও আগে ঠিকঠাক মত কাজ করতে পারেনি। যেখানে যেখানে সমস্যা থাকে, সেটার জন্য একটা কমিশন যেহেতু হবে, আমরা সেটাকে স্বাধীনভাবেই কাজ করতে দেব, তারা বাকিটা ডিল করতে পারবে।’
জেলা পর্যায়ে তথ্য পরিকাঠামো একীকরণ
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ডিসি মহোদয়রা সবকিছু মিলে একটা বেটার প্রকল্প (খোলা ইনফরমেশনের জায়গা) আমরা অলরেডি নিয়েছি। সেটার আওতায় আমরা এই কাজগুলো করে যাব। ওটার সাথে আমাদের জেলা পর্যায়ের যে তথ্যের ইনফ্রাস্ট্রাকচার আছে, সেটাকে আমরা ইন্টিগ্রেট করে ফেলব।’



