ঢাকা-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি আবেদন: হাইকোর্টে শুনানি হতে পারে বুধবার
ঢাকা-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি আবেদন হাইকোর্টে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিএনপির প্রার্থী মো. নবী উল্লা। এই আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে আগামী বুধবার (১১ মার্চ), যা বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে।

আসনে জয়ী জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন

উল্লেখ্য, ঢাকা-৫ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তবে বিএনপি প্রার্থী মো. নবী উল্লা নির্বাচনি ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে এই আবেদন দাখিল করেছেন, যা এখন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

২৫ এর বেশি প্রার্থীর আবেদন ও হাইকোর্টের নির্দেশনা

এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫ এর বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে নির্বাচনি আবেদনপত্র দাখিল করেছিলেন। হাইকোর্ট বিভাগ শুনানির জন্য এসব আবেদন গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে আইনি প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে 'নির্বাচনি' আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন, যা আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকা ও এখতিয়ার

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, '২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক নির্বাচনি আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করবেন।' এটি নির্বাচনি আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

এই আবেদনটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী আইনি লড়াইয়ের একটি উল্লেখযোগ্য দিক, যা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত আসন্ন শুনানির পর স্পষ্ট হবে, যা দেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি মাইলফলক হতে পারে।