ফরিদপুরের চার আসনে বিএনপি ও জামায়াতের বিজয়, তিনটি আসন বিএনপির দখলে
ফরিদপুরের চার আসনে বিএনপি-জামায়াতের বিজয়

ফরিদপুরের সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতের বিজয়

ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি ও একটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল যোগ করে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

ফরিদপুর-১ আসনে জামায়াতের ইলিয়াস মোল্লার জয়

ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা-মধুখালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা ১ লাখ ৫৪ হাজার ১৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ঢাকা মহানগর জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী খোন্দকার নাসিরুল ইসলাম ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৬ ভোট পেয়েছেন।

ফরিদপুর-২ ও ৩ আসনে বিএনপির শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফের বিজয়

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ১ লাখ ২১ হাজার ৯৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শাহ মো. আকরাম আলী ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট পেয়েছেন।

ফরিদপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী নায়াব ইউসুফ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও একাধিকবারের মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের মেয়ে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুত তাওয়াব ১ লাখ ২৪ হাজার ১১৫ ভোট পেয়েছেন।

ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিজয়

ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী সারোয়ার হোসেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট পেয়েছেন।

এ ফলাফল ফরিদপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মোড় আনতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিএনপি ও জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন কাজে মনোনিবেশ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।