রমজানে ঢাকার যানজট নিরসনে ডিএমপির সমন্বয় সভা, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা
রমজানে ঢাকার যানজট নিরসনে ডিএমপির সমন্বয় সভা

রমজানে ঢাকার যানজট নিরসনে ডিএমপির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীর বিপণি বিতান ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান। ডিএমপির পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা

সভায় ঢাকা মহানগর এলাকার বিপণি বিতান ও শপিংমলসমূহের নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বিপণি বিতান ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, আসন্ন পবিত্র রমজানে যানজট নিরসনের জন্য অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, রমজান মাসে যাতে সড়কে যানজট সৃষ্টি না হয় এবং পথচারীরা ফুটপাত ব্যবহার করে অনায়াসে চলাচল করতে পারেন, সে জন্য পুলিশের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শপিংমলের সামনে ও আশপাশে স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েনের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে করে জনসাধারণের চলাচল সহজ ও নিরাপদ হয়।

ডিএমপির অতিরিক্ত পদক্ষেপ ও আহ্বান

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ার সভায় বলেন, ঢাকা শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো যানজট। রমজান মাসে যানজট নিরসনে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ও ক্রাইম বিভাগের সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন থাকবে। তিনি সবাইকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান এবং সবার আন্তরিক সহযোগিতায় রমজান মাস সুন্দরভাবে শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আসন্ন পবিত্র রমজানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বয় সভায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সভায় বিপণি বিতান ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সমন্বয় সভা রমজান মাসে ঢাকা শহরের নিরাপত্তা ও যানজট ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা নাগরিকদের জন্য আরও সুবিধাজনক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।