গাজীপুরের কাপাসিয়ায় মা, তিন মেয়েসহ পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় নিহতদের মরদেহের ময়নাতদন্ত বিশেষ ব্যবস্থায় দ্রুত সম্পন্ন করে লাশগুলো তাদের নিজ জেলা গোপালগঞ্জে পৌঁছানো হয়েছে। শনিবার (১০ মে) রাতে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ময়নাতদন্তের বিশেষ ব্যবস্থা
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণত বেলা ২টার পর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তবে মরদেহ দ্রুত গোপালগঞ্জে পাঠানো এবং শরীরে আঘাতের কারণে দ্রুত পচন ধরার আশঙ্কা বিবেচনায় চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করে রাতেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। এ ছাড়া মরদেহ পরিবহনে সম্ভাব্য বৃষ্টির ঝুঁকি এড়াতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুটি ফ্রিজিং গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়।
ঘটনার পর শনিবার রাতে কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত শারমিনের বাবা শাহাদাত হোসেন মোল্লা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
আটক ও পলাতক
ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য, শনিবার সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে এক নারী, তার তিন মেয়ে ও এক ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই নিহত নারীর স্বামী পলাতক রয়েছেন। পুলিশের ধারণা, তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।



