মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান তাকে হত্যা করতে পারে এবং তিনি ইরানের হিটলিস্টে এক নম্বরে রয়েছেন। এই আশঙ্কায় তিনি তুরস্ক থেকে দেশে ফেরার সময় বিমান পরিবর্তন করেন এবং 'এয়ার ফোর্স ওয়ান'-এর সব জানালা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
ট্রাম্পের হত্যার হুমকি ও বিমান পরিবর্তন
ট্রাম্প ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'আপনারা সম্ভবত একটি বিপজ্জনক বিমানে রয়েছেন। তারা (ইরানিরা) খুব বাজে লোক। আমাকে সবসময়ই হুমকির মুখে থাকতে হয়। তাদের হত্যার তালিকায় একেবারে প্রথমেই রয়েছি আমি। আমার যদি কিছু হয়, তবে আপনাদেরও সেই একই অবস্থা হবে।' পরে তিনি হালকা করে বলেন, 'হয়তো আপনারা কোনো একদিন নিজেদের পেশা বদলে ফেলতে চাইবেন।'
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, ফেরার সময় ট্রাম্প কিছুটা পথ এসেছেন হালকা নীল রঙের পুরোনো 'এয়ার ফোর্স ওয়ান' বিমানে চেপে। কী কারণে হঠাৎ এই বিমান বদল করা হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট নয়। ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ট্রাম্প রওনা হওয়ার আগেই নতুন বিমানটি ব্রিটেনের মিলডেনহল বিমানঘাঁটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে আঙ্কারা থেকে ব্রিটেন পর্যন্ত পুরোনো বিমানেই তিনি যান।
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইউরোপ থেকে আরো মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে কিনা তা নির্ভর করছে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভবিষ্যৎ চুক্তির উপর। তিনি বলেন, 'আমি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে অনেক কিছু হচ্ছে। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভালো চুক্তি হবে কিনা তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। হয়তো আমি ভালো চুক্তি করতে পারব।' ন্যাটো শীর্ষবৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আঙ্কারা পৌঁছানোর পর ট্রাম্প বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ড এখন ডেনমার্কের অংশ, কিন্তু তা আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত। -রয়টার্স ও ডয়চেভেলে



