মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনিচীনের মধ্যে আলোচনায় ইরানের বিদেশে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত পাওয়া অন্যতম প্রধান দাবি হিসেবে উঠে এসেছে। ইরানের মালিকানাধীন ব্যাংক হিসাব থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা তহবিলের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি ডলারেরও (১০০ বিলিয়ন ডলার) বেশি।
এই অর্থের মধ্যে রয়েছে ইরাকের ব্যাংক হিসাব, কাতার ও দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকে থাকা তহবিল। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে তেহরান এই অর্থ ফেরতের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের অর্থনীতি নিষেধাজ্ঞার কারণে চরম চাপের মধ্যে রয়েছে। এই অর্থ ফেরত পেলে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। তবে আলোচনার অগ্রগতি নির্ভর করছে উভয় পক্ষের রাজনৈতিক ইচ্ছার ওপর।



