তিস্তা প্রকল্পে চীন-বাংলাদেশ আলোচনা চলমান, শিগগিরই কাজ শুরু হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রবিবার জানিয়েছেন, তিস্তা নদী ব্যাপক ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প নিয়ে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই বহুল প্রতীক্ষিত উদ্যোগের কাজ শিগগিরই শুরু হবে।
বিদেশমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সাথে কথা
বিদেশমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় চীনা রাষ্ট্রদূত এই মন্তব্য করেন। তিনি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে সুচারু ও শৃঙ্খলিত হিসেবে বর্ণনা করেন এবং এটিকে গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইয়াও ওয়েন আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে এবং তারা পরস্পরের প্রতি সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে কাজ করে চলেছে।
চীনা প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বার্তা
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারিক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের উপলক্ষে একটি অভিনন্দন বার্তা পাঠান। বার্তায় লি ছিয়াং লিখেছেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের প্রতিবেশী এবং ব্যাপক কৌশলগত সহযোগী অংশীদার।
তিনি বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর গত ৫১ বছর ধরে দুই দেশ সর্বদা পরস্পরকে সম্মান ও সমতার সাথে আচরণ করেছে, পারস্পরিক সুবিধাজনক সহযোগিতা ও উভয় পক্ষের জয়ের লক্ষ্যে কাজ করেছে, যা দেশগুলোর মধ্যে বিনিময়ের একটি চমৎকার উদাহরণ স্থাপন করেছে।
নতুন সরকারকে সমর্থন ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা
চীনা সরকার নতুন বাংলাদেশি সরকারের সুশাসন প্রয়োগে সমর্থন জানায়। লি ছিয়াং বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের সাথে কাজ করে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিতে, উচ্চ-মানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা এবং সকল ক্ষেত্রে বিনিময় বৃদ্ধিতে প্রস্তুত আছেন।
এর মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ ব্যাপক কৌশলগত সহযোগী অংশীদারিত্বকে একটি নতুন স্তরে উন্নীত করা হবে, যা দুই দেশের জনগণের জন্য আরও বেশি সুবিধা বয়ে আনবে। এই আলোচনা ও সমর্থন দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটায়।
