বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তিনি এই অভিনন্দন বার্তা পাঠান। বার্তায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের প্রতিশ্রুতি
অভিনন্দন চিঠিতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ু কর্মকাণ্ড, অভিবাসন এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব জোরদারে যুক্তরাজ্যের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরা হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, “যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক রয়েছে। আমি আশাবাদী যে, আপনার নেতৃত্বে আমাদের সহযোগিতা কেবল আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ এবং সমৃদ্ধ ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে।”
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য তাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেছে। চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে রয়েছি এবং অগ্রগতি ভাগ করে নেওয়া আমাদের অগ্রাধিকার।”
রোহিঙ্গা সহায়তা ও জলবায়ু সহযোগিতা
মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি বাংলাদেশের মানবিক আচরণের বিশেষ প্রশংসা করেন কিয়ার স্টারমার। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, যুক্তরাজ্য সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য তাদের মানবিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে। এছাড়াও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় আরও সহযোগিতা, এর প্রভাবগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আমাদের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ককে শক্তিশালী করবে।”
পরিশেষে, দুই দেশের সম্পর্কের ‘পরবর্তী অধ্যায়’ সফল ও সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি চিঠিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই অভিনন্দন বার্তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ইঙ্গিত বহন করে।
