মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর আশা: তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর আশা: বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদার হবে

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর আশা: তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠকের পর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর নিজের এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টে এই প্রত্যাশা প্রকাশ করেন মুইজ্জু।

বৈঠক ও শুভেচ্ছা বিনিময়

মোহাম্মদ মুইজ্জু লিখেছেন, ‘আজ ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করতে পেরে আমি আনন্দিত।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে এবং নবগঠিত সরকারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।’

আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা

কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ১৩টি দেশের বিশ্বনেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • চীন
  • ভারত
  • পাকিস্তান
  • সৌদি আরব
  • তুরস্ক
  • সংযুক্ত আরব আমিরাত
  • কাতার
  • মালয়েশিয়া
  • ব্রুনাই
  • শ্রীলঙ্কা
  • নেপাল
  • মালদ্বীপ
  • ভুটান

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা নয়াদিল্লির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ সংসদ কমপ্লেক্সের জমকালো দক্ষিণ প্লাজায় উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব

এই বৈঠক ও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার গুরুত্বকে আরও তুলে ধরেছে। দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, যা বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখছে। মোহাম্মদ মুইজ্জুর এই সফর ও বৈঠক ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি আঞ্চলিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।