ধোনির ‘ইয়েলো ওয়েভ’ কি বিজয়ের জয়ের মূল চাবিকাঠি?
ধোনির ‘ইয়েলো ওয়েভ’ কি বিজয়ের জয়ের চাবিকাঠি?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ময়দানে থালাপতি বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম’ (টিভিকে)-এর নাটকীয় উত্থান এখন আলোচনার তুঙ্গে। তবে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই ব্লকবাস্টার সাফল্যের নেপথ্যে সিনেমার স্ক্রিপ্টের চেয়েও বড় ভূমিকা পালন করেছে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) ‘ইয়েলো ওয়েভ’ এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির নাম।

প্রশান্ত কিশোরের কৌশল

নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই রাজনৈতিক কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর একটি বিশেষ মানদণ্ড স্থির করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তামিলনাড়ুতে ধোনির মতো জনপ্রিয় হতে পারলেই কেবল কাঙ্ক্ষিত জয় সম্ভব। ধোনি যেভাবে সিএসকেকে জেতান, বিজয়ের নেতৃত্বে টিভিকেকেও সেভাবে জেতানোর লক্ষ্য ছিল তার। ধোনির নাম ব্যবহার করে রাজ্যের কোটি কোটি ধোনি ভক্ত ও তরুণ ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে দলটি।

প্রতীক ও আবেদন

টিভিকের নির্বাচনী প্রতীক ‘হুইসেল’ সাধারণ তামিল ভোটারদের মনে সিএসকের বিখ্যাত ‘হুইসেল পডু’ স্লোগানকে মনে করিয়ে দিয়েছে। এমনকি দলটির বিশাল জনসভাগুলো দেখলে মনে হতো যেন চিপক স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে সিএসকে সমর্থকদের জমায়েত। তরুণ ভোটারদের কাছে মাঠে ‘থালা’ ধোনিকে সমর্থন করা থেকে ভোটকেন্দ্রে ‘থালাপতি’ বিজয়কে ভোট দেওয়া ছিল মূলত একই আবেগের ধারাবাহিকতা। বিজয়ের রাজনৈতিক এই ‘ফিনিশিং’ অনেকের কাছে ধোনির চেনা ক্রিকেটীয় ফিনিশিংয়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সুপার ওভারের চ্যালেঞ্জ

তবে জয়ের আমেজ থাকলেও সমীকরণ এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। বিশ্লেষকরা এই পরিস্থিতিকে ক্রিকেটের ‘সুপার ওভার’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন। এখন এককভাবে ক্ষমতায় বসতে হলে বিজয়কে আলোচনা ও জোট গঠনের মতো কৌশলগত লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে হবে। মাঠের ধোনির মতো রাজনীতির পিচেও থালাপতি বিজয় শেষ পর্যন্ত সফল হন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ