ব্যারিস্টার মাহাবুবুর রহমান তার কলামে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ব্যর্থ হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পর জীর্ণ অর্থনীতি ও ভেঙে পড়া প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। মানুষ আস্থা রেখেছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি তারেক রহমানের ওপর।
প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা
৫ জুলাই ২০২৬ মন্ত্রিপরিষদের প্রজ্ঞাপনে সরকারি ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তারেক রহমান নিজেই এই সিদ্ধান্ত নেন, কারণ তিনি দেখতে পান প্রচারণার বিষয়ের চেয়ে তার ছবি বড় করে ছাপা হচ্ছে। তিনি নির্দেশ দেন, প্রচারণার বিষয়বস্তুকে বড় করে লেখা হবে।
নৈতিক বিপ্লবের প্রয়োজন
লেখক অ্যারিস্টটলের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, রাষ্ট্রনায়কের কর্তব্য নাগরিকের নৈতিক চরিত্র বিকাশে উদ্বিগ্ন থাকা। তারেক রহমান কৃচ্ছ্রতা সাধন, সংসদ সদস্যদের সরকারি প্লট ও গাড়ি না নেওয়া, এবং প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহারের মতো পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তবে প্রশ্ন উঠেছে, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলো কি এই ইতিবাচক মানসিকতা ধারণ করতে পারছে?
প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ
ফ্যাসিবাদের দোসর বাদ দিলে প্রশাসন চালানোর লোকবল নেই, তাই সরকার অপেক্ষাকৃত ছোট দোসরদের দিয়ে কাজ চালাচ্ছে। তবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এই সুযোগে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে, আর বিরোধী দল জামায়াত ও এনসিপি সহযোগিতা করছে না। বিএনপির তৃণমূলও প্রধানমন্ত্রীর জনমুখী উদ্যোগ প্রচারে ব্যর্থ হচ্ছে।
অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার
তারেক রহমান 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতিতে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করে অর্থনৈতিক চুক্তি করেছেন। তিনি চীন, ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রমুখী না হয়ে সবার সাথে কাজ করে বাংলাদেশের স্বার্থ নিশ্চিত করতে চান। লেখক মনে করেন, একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে শক্তিশালী কাঠামোতে আনা সম্ভব।
ব্যারিস্টার মাহাবুবুর রহমান যুক্তরাজ্যের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও রয়টার্সের সাবেক সাংবাদিক। তিনি জাতীয় অধ্যাপক ড. তালুকদার মনিরুজ্জামানের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, 'বাংলাদেশি রাষ্ট্র রক্ষার জন্য জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দর্শন রক্ষা করা জরুরি। আর এজন্যই তারেক রহমানকে আমাদের সেভ করতে হবে।'



