বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের উপস্থিতিতে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ
বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের উপস্থিতিতে তারেক রহমানের শপথ

বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ

মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এক ঐতিহাসিক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যগণ আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেছেন।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতা

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল সকালবেলা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রমের সূচনা হয়। সকালে কয়েকটি ধাপে সংসদ সদস্যদের জন্য আলাদা আলাদা শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, যা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জন্য একটি আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে বিবেচিত।

পরবর্তীতে, বিকালের দিকে প্রধান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। তার শপথগ্রহণের পর পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যগণও শপথ গ্রহণ করেন। মোট ২৫ জন মন্ত্রী প্রথমে শপথ গ্রহণ করেন, এরপর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী তাদের শপথ পাঠ সম্পন্ন করেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ উপস্থিতি

বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানটিকে বিশেষ মাত্রা দিয়েছে। তিনি পুরো শপথগ্রহণ কার্যক্রম মনোযোগ সহকারে পর্যবেক্ষণ করেন, যা গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের একটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তার উপস্থিতি নতুন সরকারের প্রতি বিদায়ী প্রশাসনের সমর্থন ও সহযোগিতার ইঙ্গিত বহন করে বলে বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করেছেন।

এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে। নতুন সরকারের কার্যক্রম শুরুর আগে এই ধরনের আনুষ্ঠানিকতা দেশের সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।