মামুনুল হক: সাতচল্লিশ, একাত্তর ও চব্বিশের চেতনায় রাজনীতি নির্ধারণ জরুরি
মামুনুল হক: সাতচল্লিশ, একাত্তর ও চব্বিশের চেতনায় রাজনীতি নির্ধারণ জরুরি

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, সাতচল্লিশ, একাত্তর এবং চব্বিশের চেতনাকে ধারণ করেই জাতীয় রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করতে হবে। শনিবার (১৬ মে) সেগুনবাগিচায় জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘সমকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা

মতবিনিময় সভায় জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম, লেখক, সাংবাদিক, তরুণ চিন্তক ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টরা।

মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, অরাজনৈতিক সংগঠন জাতীয় উলামা কাউন্সিলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজকের মতবিনিময় সভায় যারা অংশ নিয়েছেন, সবাইকে অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানাই। রাজনৈতিক বিভক্তি ও মতপার্থক্যের মধ্যেও এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহনশীলতা বজায় রেখে ধারাবাহিকভাবে এমন আয়োজন বাড়লে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সহাবস্থান ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও সহজ হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

লেখক, চিন্তক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাওলানা শরীফ মুহাম্মাদ বলেন, রাজনীতিতে স্থায়ী শত্রু বা মিত্র বলে কিছু নেই। সময়ের প্রয়োজনে রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে আগামী দিনে পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তির রাজনীতিতে ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিষয় সামনে রেখে রাজনৈতিক জোটগত অবস্থান ও ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করতে হবে।

জামিয়াতুল মানহাল উত্তরার মুহতামিম মুফতী কিফায়াতুল্লাহ আযহারী বলেন, আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে দেওবন্দী আদর্শের যথাযথ অনুসরণ এবং ওলামায়ে কেরামের স্বকীয়তা বজায় রেখেই এগোতে হবে।

জাতীয় সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, জাতীয় রাজনীতিতে আর ভাড়াটিয়া হয়ে থাকতে চাই না। নিজস্ব অবস্থান ও স্বকীয় ধারার রাজনীতিতে আলেমদের ধারাবাহিক হতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মতবিনিময় সভায় মুনাজাতপূর্ব বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী বলেন, জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। রাজনৈতিক দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে আলেম সমাজের অভিভাবকত্বের ভূমিকা রাখাই এ সংগঠনের উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।