প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ছাগলকাণ্ডে আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জগঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ৫ জুলাই চার্জগঠন শুনানির জন্য নতুন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
শুনানি পেছানোর আবেদন
সোমবার (১১ মে) সকালে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজের আদালতে মামলাটির চার্জগঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ ছিল। তবে এ দিন আসামি পক্ষের আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া, মো. বোরহান উদ্দিনসহ অনেকেই চার্জগঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ পেছানোর জন্য আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৫ জুলাই পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।
দুদকের তথ্য
দুদকের পক্ষের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আদালত আসামি পক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন তারিখ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণ
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা হয়। মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ করা হয়। এই মামলারই অভিযোগপত্রের অনুমোদন দেন দুদক।
গ্রেফতার ও কারাগার
২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি মতিউরকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
ছাগলকাণ্ডের সূত্রপাত
২০২৪ সালে কোরবানির জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ইফাত নামে এক তরুণের ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কেনার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে মতিউর রহমানকে নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। এই ঘটনা ‘ছাগলকাণ্ড’ নামে পরিচিতি পায় এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু হয়।



