বগুড়ায় দুদকের মামলায় আ.লীগ নেতা আজিজুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
বগুড়ায় আ.লীগ নেতা আজিজুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বগুড়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা আজিজুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির গত ২৮ এপ্রিল এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরণ

আজিজুল হক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক সভাপতি। তিনি শিবগঞ্জ পৌরসভার বানাইল এলাকার মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে। তথ্য গোপন করে জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় তিনি আসামি।

দুদক সূত্রে জানা যায়, পলাতক আসামি আজিজুল হকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠলে দুদক প্রধান কার্যালয় থেকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি ২০২৩ সালের ১০ মে দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুদকের অনুসন্ধান

দুদক কর্মকর্তাদের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আজিজুল হক সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে কমিশনে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন। তিনি জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত এক কোটি ৩০ লাখ ৬৩ হাজার ৮১৪ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের তৎকালীন সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে তদন্ত শেষে দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান গত বছরের ২৪ অক্টোবর বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

আদালতের আদেশ

শুনানি শেষে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির গত ২৮ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৫ মে মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) দুপুরে দুদক বগুড়া কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পলাতক অবস্থা

দুদকের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের হয়। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।