সারা দেশের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত সিসিটিভি ক্যামেরা ও পাবলিক ডিসপ্লে মনিটর স্থাপনে অবিলম্বে পদক্ষেপ না নেওয়া কেন বেআইনি ও আইনগতভাবে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রুলের বিবরণ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে (আইজিআর) এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ‘জনস্বার্থে’ দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (৪ মে) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি আব্দুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে শুনানি
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী আল মামুন সারোয়ার। রিটে সেবার ডিজিটালাইজেশন তদারকিতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন এবং সাব-রেজিস্ট্রার অফিসগুলোতে ২৪ ঘণ্টা কঠোর মনিটরিং নিশ্চিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
পূর্ববর্তী ঘটনা
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল বিবাদীদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন রিটকারী আইনজীবী। নির্ধারিত ৭ দিনের মধ্যে জবাব না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
অনুপ্রেরণা
সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসাইনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে অফিসে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের খবরে অনুপ্রাণিত হয়ে এই আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানান রিটকারী আল মামুন সারোয়ার।
পরে রিটকারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকির সাহেবকে আমরা এ ক্ষেত্রে একটি রোল মডেল হিসেবে পেয়েছি। তিনি নিজ উদ্যোগে সিসিটিভি ক্যামেরা ইনস্টল করে মনিটরগুলো বাইরে জনগণের দেখার জন্য দিয়েছেন। আমি নিজে সেখানে গিয়ে বিষয়টি দেখেছি।’
সাভারের এই উদ্যোগ দেখার পর রিটকারীর মনে হয়েছে, সারা দেশে এটি বাস্তবায়ন করা গেলে সাধারণ মানুষের কাছে জবাবদিহির একটি পরিষ্কার জায়গা তৈরি হবে।



