বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে তৎপরতা শুরু করেছে। দলটি মনে করছে, স্থানীয় পর্যায়ে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে না পারলে জাতীয় পর্যায়ে জনপ্রিয়তা হ্রাস পেতে পারে। তাই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের নির্বাচনী প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তৃণমূল সক্রিয়
বিএনপির নির্দেশনা অনুযায়ী, দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ইতোমধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় অনানুষ্ঠানিক গণসংযোগ শুরু করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানার টানানোর কাজও শুরু হয়েছে।
নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি
চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত পেলেই ইসি তফসিল ঘোষণা করবে বলে জানা গেছে। সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনও ঘোষিত না হলেও বছরের শেষের দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিএনপির আশাবাদ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর পূর্ণ শক্তি নিয়ে নেতা-কর্মীরা ভোটের মাঠে নামবেন। সরকারের অর্জনগুলো জনমনে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করেছে দাবি করে তিনি দলীয় নেতাদের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিদ্বন্দ্বিতা মোকাবিলায় প্রস্তুতি
বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, নির্বাচনে প্রতিপক্ষ থাকবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। প্রতিপক্ষকে সমীহ করেই কাজ করতে চান তারা। তিনি উল্লেখ করেন, তৃণমূলের ভোট এবং দলীয় প্রতীকের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও জনগণ তাদের পাশে থাকবে বলে বিশ্বাস করেন।
বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দল ও সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনকে তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন। সফল হলে সংসদ নির্বাচনেও বড় সাফল্য আসতে পারে বলে তারা আশা করছেন।



