প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়েই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইশতাহারে যথাসময়ে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন
উপদেষ্টা জানান, ‘পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নটা করা হবে।’ তবে কবে নাগাদ গেজেট প্রকাশ হতে পারে, সে প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি তিনি। জাতীয় সংসদে দেওয়া বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘সরকারি কর্মচারীরা বিগত প্রায় ১১ বছর যাবৎ একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতিজনিত কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী পহেলা জুলাই ২০২৬ হতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।’
প্রথমে বেসিক বাড়ানো হবে
বিবিসির সাক্ষাৎকারে উপদেষ্টা নিশ্চিত করেন, নতুন পে-স্কেলে বেতন-ভাতা একসাথে কার্যকর হবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা কয়েকটা ধাপে এটা করবো, প্রথমেই বেতন বা বেসিকটা বাড়ানো হবে।’ তবে কোন গ্রেডের কর্মচারীর বেতন কত হবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু জানাতে রাজি হননি তিনি।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘গেজেট চূড়ান্ত করতে সরকার পর্যালোচনা করছে। এই পর্যালোচনা এবং রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার আলোকেই পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।’ অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসের মাঝামাঝি বা শেষ নাগাদ বেতন বৃদ্ধির গেজেট প্রকাশ হতে পারে।



