উৎকণ্ঠার এক রাত পেরিয়ে কমান্ডো অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনী জঙ্গিমুক্ত করেছিল গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারি। ২০১৬ সালের ২ জুলাই ভোরের দৃশ্যঢাকার গুলশান লেকপাড়ের যে জায়গায় একসময় ছিল হোলি আর্টিজান বেকারি, সেখানে এখন বহুতল আবাসিক ভবন। বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই, এক দশক আগে এই জায়গাটিই বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। সবকিছু মিলিয়ে ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতটি বাংলাদেশকে নতুন এক বাস্তবতার সামনে দাঁড় করিয়েছিল। আজ ১ জুলাই, সেই হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো। হোলি আর্টিজান এখনো বাংলাদেশের নিরাপত্তা ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত।
হামলার ঘটনা
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিরা হামলা চালায়। তারা সেখানে অবস্থানরত বিদেশি ও স্থানীয় নাগরিকদের জিম্মি করে। প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে জিম্মি সংকট চলার পর সেনাবাহিনীর এলিট কমান্ডো ইউনিট অভিযান চালায়। অভিযানে অধিকাংশ জিম্মি উদ্ধার হলেও ২২ জন নিহত হন, যার মধ্যে ১৭ জন বিদেশি নাগরিক ছিলেন। হামলার দায় স্বীকার করে আইএসআইএস।
বর্তমান অবস্থা
এখন সেখানে আর হোলি আর্টিজান বেকারি নেই। জায়গাটিতে নির্মিত হয়েছে বহুতল আবাসিক ভবন। এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গুলশান লেকপাড় এলাকায় এখন ব্যাপক নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রভাব ও স্মৃতি
হোলি আর্টিজান হামলা বাংলাদেশের নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনে। জঙ্গিবাদ দমনে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেয়। এই হামলার পর দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান জোরদার হয়। নিহতদের স্মরণে প্রতি বছর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।



