সৈয়দপুরে আটকের ঘটনায় বেলাল উদ্দীনের ব্যাখ্যা প্রশ্নবিদ্ধ
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে টাকাসহ আটক হওয়া ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দীনের দেওয়া ব্যাখ্যা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে দাবি করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
টাকার পরিমাণ বলতে ব্যর্থতার ওপর জোর
তারেক রহমান বলেন, আটকের পর বেলাল উদ্দীন তার সঙ্গে থাকা অর্থের সঠিক পরিমাণ বলতে পারেননি। তিনি উল্লেখ করেন, “যদি জব্দ হওয়া টাকা তার ব্যবসার হতো, তাহলে তিনি জানতেন ব্যাগে কত টাকা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট অঙ্ক বলতে না পারা থেকেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “সম্ভবত অন্য কোনো উৎস থেকে টাকাটি তার হাতে এসেছে। এ কারণেই হয়তো গুনে দেখারও সময় পাননি।”
গার্মেন্টস বেতনের ব্যাখ্যাকে প্রত্যাখ্যান
তারেক রহমান দাবি করেন, বর্তমানে ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন বন্ধ থাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার সুযোগ নেই। তাই স্যালারি পরিশোধের উদ্দেশ্যে অর্থ বহনের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আটকের পর বেলাল উদ্দীন মুখ ঢেকে রাখেন এবং প্রথমে নিজেকে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন—যা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। “একজন শিক্ষক বা ব্যবসায়ীর পক্ষে দুটি ব্যাগে করে ৬০ লাখ টাকা বহন করা কতটা স্বাভাবিক—সেটিও ভাবার বিষয়,” বলেন তারেক রহমান।
প্রার্থিতা বাতিলের দাবি
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান আমজনতার দলের সদস্যসচিব। তারেক রহমানের বক্তব্যে উঠে আসা প্রধান বিষয়গুলো হলো:
- বেলাল উদ্দীনের টাকার উৎস নিয়ে সন্দেহ
- গার্মেন্টস বেতনের ব্যাখ্যার অসামঞ্জস্য
- শিক্ষক পরিচয় দেওয়ার বিষয়ে অস্পষ্টতা
- প্রার্থিতা বাতিলের দাবি
এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
