চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন স্বামী ও স্ত্রী। সকালে ঘুম থেকে উঠেই পাশের কক্ষে দেখলেন স্বামী শাহাবুদ্দিনের (৩৫) ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত লাশ। বুধবার (১ জুলাই) উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের খোর্দ গহিরা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পণ্ডিতের বাড়ি এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
দুই সন্তানের জনক শাহাবুদ্দিন
মৃত শাহাবুদ্দিন (৩৫) ওই এলাকার মৃত শামসুল আলমের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক এবং পেশায় নদীপথে চলাচলকারী বিভিন্ন মালবাহী ট্রলারের শ্রমিক ছিলেন।
মানসিক সমস্যা ও মাদকাসক্তি
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শাহাবুদ্দিন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পাশাপাশি তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলেও জানিয়েছে পরিবার। ঘটনার আগের রাতেও পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়।
ঘটনার বিবরণ
রাত ১২টার দিকে স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। ভোর ৫টার দিকে স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে স্বামীকে পাশে না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাশের একটি খালি কক্ষে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ঘরের আড়ার সঙ্গে নাইলনের রশি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে আছেন শাহাবুদ্দিন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে আনোয়ারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশের বক্তব্য
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



